রিলেশনাল ডেটাবেজ
ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
রিলেনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমহলো একাধিক টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত
ডেটাবেজ সিস্টেম, যা ডেটা ও ডেটার মধ্যে সম্পর্ককে প্রকাশ করে। অর্থাৎ একাধিক ডেটবেজের সমন্বয়ে গঠিত হয় রিলেশনাল
ডেটাবেজ। কিন্তু শর্ত হচ্ছে ডেটাবেজগুলোর মধ্যে সম্পর্ক থাকতে হবে।
রিলেশনাল ডেটাবেজ হচ্ছে আধুনিক ডেটাবেজের ভিত্তি। ১৯৭০ সালে এডগর কগ সর্বপ্রথম রিলেশনাল
ডেটাবেজ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন।
রিলেশনাল ডেটাবেজ
ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজ করার জন্য যে সফটওয়্যারগুলো
ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে বলা হয় রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার। এরকম
অনেক সফটওয়্যার আছে। যেমনঃ
Ø
মাইক্রোসফট এক্সেস
Ø ওরাকল
Ø ডিবেজ
Ø
মাইক্রোসফট ভিজুয়্যাল বেসিক
Ø মাইক্রোসফট ভিজুয়্যাল এক্সপ্রো
Ø পাওয়ার বিল্ডার
Ø
ডেলফি
Ø
ইনফরমিক্স
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের সুবিধা
১। টেবিল তৈরী করা যায় সহজে এবং টেবিলে নতুন ডেটা
রাখা অর্থাৎ ডেটা এন্ট্রি করা সহজ।
২। সহজে প্রোগ্রামিং করা যায়।
৩। এই ডেটাবেজ ব্যবহার করে সফটওয়্যার বানানো সহজ।
৪। ডেটাবেজে প্রয়োজনীয় চার্ট বা ছবি তৈরী করে
আকর্ষণীয় রিপোর্ট বানানো যায়।
৫। যেহেতু রিলেশনাল ডেটাবেজে পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক
থাকে সেহেতু এক ডেটাবেজ থেকে অন্য ডেটাবেজে ডেটা আদান প্রদান সোজা হয়।
৬। কাঙ্ক্ষিত তথ্য সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়।
৭। সূক্ষ্ণ গাণিতিক কাজগুলো খুব সহজেই করা যায়।
৮। সহজেই অন্যান্য প্রোগ্রাম থেকে ডেটা বা তথ্য এনে
সেগুলো ডেটাবেজে ব্যবহার করা যায় এবং সহজেই অন্যান্য প্রোগ্রামের রিলেশন স্থাপন
করা সম্ভব।
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের
ব্যবহার
১। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারীদের তথ্য সংরক্ষণ করতে।
২। হাসপাতালের রোগীদের রেকর্ড সংরক্ষন করতে।
৩। এয়ার লাইন্সের ফ্লাইট সিডিউলিং এবং যাত্রীদের টিকিট সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষন
করে রাখতে।
৪। ব্যবসা বাণিজ্যে বিশেষ করে অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা বাণিজ্যে বা ই-কমার্সে।
৫। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীদের বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষনে।
৬। ব্যাংকের বিভিন্ন গ্রাহকদের তথ্য এবং লেনদেনের হিসাব রাখতে।
৭। সর্বোপরি, যেকোন প্রতিষ্ঠানের যেকোন তথ্যভান্ডার সংরক্ষন
করতে রিলেশনাল ডেটাবেজের জুড়ি নেই।
No comments:
Post a Comment