বায়োইনফরমেটিক্স

Bio (জৈব) + Informatics (তথ্যবিজ্ঞান); সুতরাং Bioinformatics  এর অর্থ দাড়ায় জৈব তথ্যবিজ্ঞান। বায়োইনফরমেটিক্স বা জৈব তথ্যবিজ্ঞান হলো এমন এক প্রযুক্তি যা ফলিত গণিত, তথ্য বিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রসান এবং জৈব রসান ব্যবহার করে জীববিজ্ঞানের সমস্যা-সমূহ সমাধান করা হয়।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে জৈব তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষণার কাজ সহজ এবং নির্ভুল করাটাই বায়োইনফরমেটিক্স।

বায়োইনফরমেটিক্স মূলত চারটি বিষয় নিয়ে গঠিত-
১। আণবিক জীববিদ্যা
২। ডেটাবেজ
৩। প্রোগ্রামিং
৪। পরিসংখ্যান
বায়োইনফরমেটিক্স এর উদ্দ্যেশ: 
১। জৈবিক প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুধাবন করা। অর্থাৎ জীন বিষয়ক তথ্যানুসন্ধান করে জ্ঞান তৈরি করা।
২। রোগ-বালাইয়ের কারণ হিসেবে জীনের প্রভাব সম্পর্কিত জ্ঞান আহরণ করা।
৩। ঔষধের গুণাগুণ উন্নত ও নতুন ঔষধ আবিষ্কারের প্রচেষ্টা করা।

ব্যবহার:
১। মলিকিউলার মেডিসিন
২। জিনথেরাপি
৩। ওষুধ তৈরীতে
৪। বর্জ্য পরিস্কারকরণে
৫। জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণায়
৬। বিকল্প শক্তির উৎস সন্ধানে
৭। জীবাণু অস্ত্র তৈরীতে

সুবিধা:
১। জীববিদ্যার উন্নয়নে তথ্য প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করে
২। আণবিক বংশগতিবিদ্যার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে
৩। জীববিজ্ঞান ভিত্তিক তথ্যের গবেষণাতে তথ্যের সংরক্ষণ ও পুনঃব্যবহার নিশ্চিত করে।

অসুবিধা:
১। জেনেটিক তথ্যের গোপনীয়তা ভঙ্গের আশংকা থাকে।
২। যেসব চিকিৎসা বায়োইনফরমেটিক্স নির্ভর সেগুলো সুনিয়ন্ত্রিতভাবে পরিচালনা করা না গেলে রোগীর বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।
৩। ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া।

বায়োইনফরমেটিক্সে ব্যবহিত ওপেনসোর্স সফটওয়্যার সামগ্রী:
Bioconductor,
BioPerl,
Biopython,
BioJava,
BioRuby,
Biclipse,
EMBOSS,
Taverna
Workbench,
UGENE ইত্যাদি।

No comments:

Post a Comment